Blog Post

ওপেন একসেস: গবেষণা, উপাত্ত ও শিক্ষা যেখানে উন্মুক্ত

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ:

দেশে গবেষণার প্রসার বাড়ার সাথে সাথে শিক্ষক, গবেষক ও ছাত্রদের মাঝে ‘ওপেন একসেস’ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।  তথাপি ‘ওপেন একসেস’ নিয়ে অনেকের ধারণাই পরিষ্কার নয়, যা একে জনপ্রিয় করার পথে প্রধান অন্তরায়।  অনেক গবেষকই জানেন না যে কপিরাইট বা গ্রন্থস্বত্ব লঙ্ঘন না করেই তিনি নিখরচায় পূর্বে প্রকাশিত অনেক গবেষণা কর্ম ব্যবহার করতে পারেন।  কিংবা জানলেও পর্যাপ্ত তথ্য ও গাইডলাইনের অভাবে বুঝে ওঠেন না কোথায় ও কিভাবে ওপেন একসেস ম্যাটেরিয়ালস গুলো পাবেন।  এ লেখাটিতে পাঠক-গবেষককে ওপেন একসেস নিয়ে একটি পরিষ্কার ধারণা দেওয়ার চেষ্টা থাকবে।

ওপেন একসেস কিভাবে এবং কেন:

ওপেন একসেস ধারণাটি প্রথম জনসম্মুখে আসে বিগত শতাব্দীর ষাটের দশকে যখন U.S. Department of Education’s Office of Educational Research and Improvement and the National Library of Education শিক্ষা-গবেষণা ও তথ্যের অনলাইনভিত্তিক ডিজিটাল লাইব্রেরি ERIC (Educational Resources Information Center) চালু করে। এরপর ৯০ এর দশকে ইন্টারনেটের আবির্ভাব গবেষণা প্রকাশনায় আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসে। ইন্টারনেটের কল্যাণে বড় বড় প্রকাশনী সংস্থাগুলো কাগজের পরিবর্তে জার্নালের ডিজিটাল কপির প্রকাশনা শুরু করে।  এতে গবেষণা প্রকাশনা গতি পায় এবং সহজে পাঠকের দোরগোড়ায় পৌছানো সম্ভব হয়ে ওঠে।

অপরদিকে প্রথম সারির গবেষণা জার্নালের উচ্চমূল্য বিশেষকরে স্বল্পন্নোত ও উন্নয়নশীল দেশের গবেষকদের জন্য গবেষণা জগতে অবাধ বিচরণের ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। একজন তৃতীয় বিশ্বের গবেষকের গবেষণা প্রণোদনা (research funding) জোগাড় করা তুলনামূলকভাবে কঠিন। উপরন্তু এইসব দেশের গ্রন্থাগার ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে খুব বেশি জার্নাল তাদের সংগ্রহে রাখতে পারে না।

এমনি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ওপেন একসেস ধারণাটি ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হতে থাকে। ওপেন একসেস এর উদ্দেশ্য হলো এমন একটি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা যার মাধ্যমে গবেষক বিনা খরচে তার গবেষণার বিষয়ে ইতোপূর্বে হয়ে যাওয়া গবেষণাগুলোতে প্রবেশাধিকার পাবেন এবং একই সাথে পূর্বের গবেষক ও নতুন গবেষণাকারি উভয়ে লাভবান হবেন।

এবার আরেকবার ইতিহাসের কাছে ফিরে যাওয়া যাক। ওপেন একসেসের শুরুর দিকের একটি বড় উদ্যোগ হলো ArXiv. ১৯৯১ সালে যাত্রা শুরু করা এটিই হলো পৃথিবীর প্রথম অনলাইন আর্কাইভ যা এখনো পাঠক-গবেষকের ক্ষুধা মিটিয়ে চলছে। এরপর ১৯৯৮ সালে David Wiley ‘ওপেন কনটেন্ট’ ধারণাটির জন্ম দেন।

২০০১ সালে যাত্রা শুরু করে ওপেন কনটেন্ট লাইসেন্স প্রদানকারী ‘The Creative Commons’.  একই সালে বিশ্বখ্যাত MIT ঘোষণা করে তাদের Open CourseWare উদ্যোগ। এরপর ২০০২ সালে UNESCO ফোরামে Open Educational Resource পরিভাষাকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

ওপেন একসেসের ওপর প্রথম আন্তর্জাতিক বিবৃতি আসে ফেব্রুয়ারী ২০০২ সালে Budapest Open Access Initiative থেকে। পরবর্তীতে আরো দুটি বিবৃতি আসে Bethesda Statement on Open Access Publishing এবং Berlin Declaration on Open Access থেকে।

২০০৩ সালে যাত্রা শুরু করে ওপেন একসেস জার্নাল ডাটাবেজ DOAJ (Directory of Open Access Journals), যা এখনো অন্যতম একটি ওপেন একসেস ডাটাবেজ হিসেবে স্বীকৃত। এরপর ২০০৮ সালে Dave Cormier MOOC (Massive Open Online Courses) এর উদ্ভাবন করেন।

ওপেন একসেস কাজ কোনগুলো?

যে কোন মৌলিক কাজ ওপেন একসেস হতে হলে একে কিছু বৈশিষ্ট্য ধারণ করতে হবে। প্রথমত এর Full-text প্রাপ্যতা থাকতে হবে। এটি থাকবে ডিজিটাল ফরম্যাটে ও অনলাইনে বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য এবং সকল প্রকার কপিরাইট বা গ্রন্থস্বত্বের উর্ধ্বে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর যে কোন একটি অনুপস্থিত থাকলে সেই কাজকে ওপেন একসেস বলা যাবে না।

গবেষণা প্রবন্ধ থেকে শুরু করে গবেষণা রিপোর্ট, কনফারেন্স পেপার, মনোগ্রাফ, প্রি-প্রিন্ট, বই, অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, মাল্টিমিডিয়া সহ যেকোন মৌলিক কাজই ওপেন একসেস এর আওতাভুক্ত।

ওপেন একসেসের অন্যান্য সম্পূরক ধারণাগুলো হলো – ওপেন সায়েন্স, ওপেন রিসার্স, ওপেন ডাটা, ওপেন এডুকেশন, ওপেন পাবলিকেশন সহ অন্যান্য।

ওপেন একসেস পাবলিকেসন্স:

ওপেন একসেস পাবলিকেসন্স এর সাথে জড়িত কিছু বিষয় জেনে নেওয়া যাক –

  • Self-Archiving: লেখক বা গবেষক যখন তাঁদের মৌলিক কাজের প্রি-প্রিন্ট বা পোস্ট-প্রিন্ট কোন Institutional Repository বা Open Archive (i.e. AgriXiv, ArXiv) এর মাধ্যমে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন তখন এ পদ্ধতিকে বলা হয় Self-archiving।
  • Pre-print: Pre-print হলো peer-review ছাড়া যে কোন মৌলিক কাজের ডিজিটাল ড্রাফট যা গবেষক চাইলে ইন্সটিটিউশনাল আর্কাইভের মাধ্যমে পাঠক-গবেষকের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে পারেন।
  • Post-Print: প্রি-প্রিন্টের মত পোস্ট-প্রিন্টও মৌলিক কাজের ডিজিটাল ফরম্যাট । এখানে শুধু পার্থক্য হলো পোস্ট-প্রিন্ট peer-reviewed মানে গবেষণা কর্মের সংশোধিত –প্রকাশনাযোগ্য রূপ।
  • Sherpa/Juliet: এটি একটি অনলাইন ডাটাবেজ যা Self-archiving এবং Open Access Journal সম্পর্কে ১০০ টিরও অধিক গবেষণায় তহবিল প্রদানকারীর (Research Funder) নীতিমালার তথ্য প্রদান করে থাকে।
  • Sherpa/RoMEO: এই ডাটাবেজ ২২০০ এরও অধিক জার্নালের কপিরাইট এবং Self-archiving নীতি নিয়ে তথ্য প্রদান করে থাকে।

ওপেন একসেস পাবলিকেশন মডেল:

ওপেন একসেস পাবলিকেশন্সের বিভিন্ন মডেল আছে। এর ভেতরে জনপ্রিয় হলো Gold Open Access, Green Open Access, Hybrid Open Access.

  • Gold Open Access: এই পদ্ধতিতে লেখক-গবেষক কিংবা গবেষণার তহবিল প্রদানকারী (funder) সংস্থা প্রকাশনা ব্যয় বা APC (Article Processing Charge) বহন করবে। যেমন: PLOS ONE Journal.
  • Green Open Access: এটি একটি জনপ্রিয় ওপেন একসেস প্রকাশনা পদ্ধতি। এ প্রক্রিয়ায় গবেষক ওপেন একসেস নয় এমন জার্নালে তার মৌলিক কাজ প্রকাশ করবেন এবং উক্ত জার্নালের সাথে চুক্তির আওতায় তার গবেষণা কর্মটি একটি নির্দিষ্ট সময় পর Self-Archiving প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেবেন।
  • Hybrid Open Access: এ পদ্ধতি অবলম্বনকারী জার্নালগুলো গবেষকের জন্য ওপেন একসেস এবং নন-ওপেন একসেস দুই পদ্ধতিই খোলা রাখে। অর্থাৎ একই জার্নালের কিছু কিছু গবেষণা পত্র হয় উন্মুক্ত আবার কিছু কিছু গবেষণাপত্রে প্রবেশের জন্য ব্যবহারকারীকে সাবস্ক্রিপশন চার্জ দিতে হয়।

এছাড়া Bronze, Platinum, Diamond প্রভৃতি ওপেন একসেস পাবলিকেশন মডেল গুলোও জনপ্রিয়।

ওপেন একসেস কি কপিরাইট বিরুদ্ধ?

ওপেন একসেস এর সাথে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি চলে আসে তা হলো ওপেন একসেস কপিরাইট এর বিরুদ্ধ কিনা? উত্তর হলো ওপেন একসেস মোটেও কপিরাইট-বিরুদ্ধ নয় বরং এটি অনেকাংশে কপিরাইট এর সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন Open Content License পাওয়া যায়। Creative Commons এগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই লাইসেন্সের আওতায় লেখক বা শিল্পী কিংবা গবেষক তাঁর মৌলিক কর্ম ব্যবহারের সীমারেখা নির্ধারণ করে দিতে পারেন। যেমন লেখক চাইলে তাঁর কাজকে এমনভাবে উন্মুক্ত করে দিতে পারেন যে, যে কেউ তাঁর কাজ ব্যবহার করতে পারবেন কিন্তু অবশ্যই লেখকের প্রাপ্তি স্বীকার করতে হবে। কিংবা ব্যবহারকারী শুধু ব্যবহার করতে পারবেন তিনি কোন ধরনের পরিবর্তন আনতে পারবে না। অথবা ব্যবহারকারী বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে পারবে না। এইসব Open Content License এর মাধ্যমে একদিকে মূল লেখকের প্রাপ্তি স্বীকার করা হবার পাশাপাশি মৌলিক কাজের উন্মুক্ত ব্যবহারও নিশ্চিত হয়।

ওপেন একসেস মানেই কি বিনামূল্য?

এখন প্রশ্ন আসতে পারে, যেখানে পৃথিবীর কোন কিছুই মুফতে নয় সেখানে কি করে আস্ত এক গবেষণাপত্র সকলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব? উত্তর হলো ওপেন একসেস মানেই ফ্রি বা মুফতে নয়। ওপেন একসেস হলো একটি পদ্ধতিগত কৌশল যে প্রক্রিয়ায় লেখক-গবেষক বা প্রকাশক কিংবা Funding Body প্রকাশনা খরচ বা APC বহন করবে এবং তা পাঠক / গবেষকের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ ওপেন একসেস এর উদ্দেশ্য হলো পাঠক-গবেষকের জন্য বিনামূল্য মৌলিক কাজ ব্যবহার নিশ্চিত করা, যার প্রকাশনা খরচ বহন করবে সেই মৌলিক কাজের লেখক কিংবা প্রকাশক কিংবা Research Funder.

এখানে লেখক/গবেষকের লাভ কোথায়?

যেকোন মৌলিক কাজের সার্থকটা হলো সেই কাজের ব্যাপক ব্যবহার। যে মৌলিক কাজের যতবেশি পাঠক তার উপযোগিতাও তত বেশি। আরেকটু সহজভাবে বললে, মৌলিক কাজ/ গবেষণাগুলোর গুরুত্ব নির্ধারণ করা হয় এর impact factor এর উপর বিবেচনা করে। যে গবেষণা পত্রের impact factor যত বেশি, মানে যে গবেষণাপত্রটি অন্য গবেষক যত বেশিবার cite করেছেন তার Scholarly value তত বেশি। আর তাই কোন মৌলিক গবেষণা যতবেশি পাঠকের কাছে উন্মুক্ত হবে, সেটির Cite হওয়ার সম্ভাবনাও ততোই বেড়ে যাবে, মানে তার impact factor তত বেশি হবে। আর এক্ষেত্রে ওপন একসেসই হলো একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে লেখকের স্বত্ব রক্ষা হয় এবং একই সাথে মৌলিক কর্মকে ব্যাপক পাঠকের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া যায়।

কিভাবে খুঁজে পাবো ওপেন একসেস কাজগুলো?

বিশ্বখ্যাত বেশ কিছু ওপেন একসেস রিপোজিটরি আছে, আছে নামী ওপেন একসেস জার্নাল, সার্চ ইঞ্জিন। নামী ওপেন একসেস রিপোজিটরির মধ্যে DOAJ, DOAB, PubMed Central, Shodhganga অন্যতম। জনপ্রিয় ওপেন একসেস সার্চ ইঞ্জিন হলো Google Scholar, Google Patent, Open Access Journals Search Engine (OAJSE) এবং অন্যান্য । এছাড়াও নামী অনেক জার্নাল বা প্রকাশনার ওয়েরসাইটে আলাদা ভাবে ওপেন একসেস ফিল্টার অপশন থাকে। যেমন ERIC database। রয়েছে Unpaywall নামের browser extension যা ব্যবহারকারীর খোঁজা কোন গবেষণাপত্র ওপেন একসেস কিনা, এবং ওপেন একসেস হলে তা কোথায় পাওয়া যাবে যেটি বলে দেয়।

ওপেন একসেস এবং বাংলাদেশ:

বাংলাদেশে প্রথম দৃশ্যমান ওপেন একসেস উদ্যোগ নেয় icddr,b (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh) । ১৯৯৭ সালে তারাই প্রথম তাদের গবেষণা জার্নাল Journal of Diarrhoeal Diseases Research পাঠকের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়। BanglaJOL (একাধিক বিষয়ে full-text গবেষণা প্রবন্ধ প্রদানকারী ডাটাবেজ, INASP এর একটি উদ্যোগ) যাত্রা শুরু করে ২০০৭ সালে। এরপর এপ্রিল ২০০৮ এ ওপেন সোর্স সফটওয়্যার Dspace এর সাহায্যে INASP (International Network for the Availability of Scientific Publications) এর অর্থায়নে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি লাইব্রেরি চালু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দেশের প্রথম Digital Institutional Repository.Open Access Bangladesh

বাংলাদেশে ওপেন একসেস এর সর্বশেষ সংযোজন হলো Open Access Bangladesh. দেশব্যাপী ওপেন একসেস আন্দোলনকে জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটি যাত্রা শুরু করে। বিভিন্ন ওয়ার্কশপের পাশাপাশি ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স OpenCon Dhaka 2018 । একই দিনে যাত্রা শুরু করে Open Access Bangladesh এর মাসিক প্রকাশনা Open Access Bangladesh Bulletin.

১৭ নভেম্বর ২০১৮ সালে Dhaka University Researcher Society এর সাথে যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় গবেষণাধর্মী সেমিনার Learn Research with Fun.

সংগঠনটির উদ্যোগে এবং Open Science Framework (OSF) এর সহযোগিতায় খুব দ্রুতই আত্নপ্রকাশ করতে যাচ্ছে BanglarXiv (বাংলা আর্কাইভ), যা হবে বাংলাদেশের প্রথম বহুবিষয়ক (multi-disciplinary) প্রি-প্রিন্ট ডাটাবেজ। গবেষকেরা তাদের গবেষণার প্রি-প্রিন্ট বা পোস্ট-প্রিস্ট এখানে জমা রাখতে পারবেন এবং BanglarXiv এর সংগ্রহে থাকা অন্য লেখক-গবেষকের প্রি-প্রিন্ট নিখরচায় ব্যবহার করতে পারবেন।

সারা বিশ্বেই বাড়ছে গবেষণার পরিধি। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গবেষণাপত্রে প্রবেশের সাবস্ক্রিপশন ফি। গবেষণাপত্র হয়ে যাচ্ছে ব্যক্তি গবেষকের জন্য দুর্মূল্য। আর তাই দাবী উঠছে গবেষণাপত্রকে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর স্বার্থে উন্মুক্ত করে দেওয়ার। ওপেন একসেস আন্দোলনের কাজের পরিধি এবং সার্থকতা ঠিক এখানেই।


প্রাপ্তি-স্বীকারঃ


লেখক: আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

সহকারি লাইব্রেরি অফিসার, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ।

সদস্য, ওপেন একসেস বাংলাদেশ।

সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য, লাইব্রেরিয়ান ভয়েস।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close